প্রোগ্রামিং এর ধারণা আল্লাহর অস্তিত্বের সাক্ষ্য দিচ্ছে।

Published June 3, 2012 by islamvalley

আমারা প্রায় সবাই কিছুনা কিছু প্রোগ্রামিং জানি এবং এমন কিছু বানাতে পারি যা আমাদের ইচ্ছেমতো চলবে। আমরা যদি একটা সফটওয়্যার বানাই তবে আমাদের নির্ধারিত আদেশ মেনে চলবে। এ সফটওয়্যারগুলো অনেক সময় ব্যাবহারকারিদেরদের কাস্টোমাইজ বা নিজের মতো করে সাজানোর সুবিধা দেয়। যেমন খুব সরল একটা উদাহরণ দিইঅ আমারা পিসিতে একটা ডকুমেন্ট লিখতে পারি। ইচ্ছেমতো এটার রং, ফন্ট, আকার বদলাতে পারি। আমার অনেক সুন্দর-দর্শন একটা ফাইল বানিয়ে ফেলতে পারি। অথবা চাইলে পিডিএফ ফাইলও সুন্দর করে বানাতে পারি। কিন্তু এই বানানোর কৃতিত্বটা কি আমাদের?
মোটেই না। বরং যে লোক ওয়ার্ডফাইল সফটওয়্যার বা পিডিএফ রূপান্তরক বানিয়েছে এটা তারই কৃতিত্ব। এ কারণেই আমাদের ব্যাবহারকরীদের সীমাবদ্ধতা রয়ে যায়। আমরা চাইলেও এমন কাস্টোমাইজ করতে পারবোনা যা সফটওয়্যার এর মূল নির্মাতা সুযোগ করে রাখেনি।

এছাড়া আমরা css, html, php ইত্যাদি ব্যাবহার করে অপূর্ব ওয়েবসাইট বানাতে পারি। কিন্তু এই বানানোর কুতিত্বও আমাদের নয় বরং তাদের যারা এই ভাষাগুলো উদ্ভাবন করেছে।

আমরা দৈনন্দিন অনেক যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করে থাকি যেগুলো আবিষ্কার করেছেন প্রতিভাবান বিজ্ঞানীরা। সেগুলোও আমারা ইচ্ছামতো এদিকসেদিক করে ব্যাবহার করতে পারি। যেমন আমরা একটা টিভি সেটের ভলিউম বাড়াতে-কমাতে পারি। কিন্তু এতদূর বাড়াতে পারিনা যার সুযোগ নির্মাতা রাখেনি। টিভি এখানে তারা নির্মাতার দেয়া নিয়ম মেন চলে।

এখন একটা ভাবা যাক।
যখন একটা টিভি বানানো হলো, এটা কেন টিভি হলো কেন একটা গাড়ি হলোন?
উত্তর হলো ঐ মূল প্রক্রিয়াটাও প্রকৃতির একটা নিয়ম মেনে চলে যা নির্ধারণ করে দিয়েছেন আল্লাহ। মানুষ প্রকৃতির নিয়মকে কাজে লাগিয়ে একটা যন্ত্র বানিয়ে ফেলল। তাই বলে সেটার কৃতিত্ব মানুষের নয় বরং সেই আল্লাহর যাঁর দেওয়া নিয়ম মেনে চলেই তাকে যন্ত্রটা বানাতে হয়েছিল। আর যন্ত্র ঐ নিয়ম মেনে চলে বলেই যখন টিভি হবার উপযোগী প্রক্রিয়া চালানো হলো তখন সেটা টিভিই হলো, গাড়ি হলোনা।

মানুষের তৈরি বিভিন্ন কাস্টোমাইজেবল সফটওয়্যারে যেমন সীমাবদ্ধ কিছু সুবিধা থাকে তেমনি আল্লাহর প্রোগ্রামকৃত এই পুরো মহাবিশ্বের নিয়ম কাজে লাগিয়ে কিছু যন্ত্রপাতি বানানো গেলেও তারও একটা সীমা আছে যা আমরা লংঘন করতে পারিনা।

যেমন আমরা কোন অবিরাম-গতি যন্ত্র বানাতে পারিনা যেটা ইনপুট না নিয়েই অবিরাম আউটপুট দিয়ে যাবে। আমারা জানি মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। আমারা সেটা ঠেকাতে পারবোন। বিজ্ঞান সেটা স্বীকার করেই ফেলেছে। আমরা জানি মহাবিশ্বের সকল শক্তির পরিমাণ নিদির্ষ্ট ও অপরিবর্তনীয়। শক্তি বাড়ানো, কমানো যায়না। শুধু রূপান্তর করা য়ায় মাত্র।
অর্থ্যাৎ আল্লাহ আমাদের শক্তি রূপান্তর করবার সুবিধা দিয়েছেন কিন্তু বাড়ানো, কমানোর সুবিধা দেননি।

এই যে এতসব এতসব নিয়ম, বিজ্ঞানের ভাষায় এমন অপূর্ব গঠনমূলক বিধি ও নিয়ম আপনাআপনি গড়ে উঠতে পারেনা। প্রকৃতপক্ষে এসব নিয়ম-বিধান আল্লাহই নির্ধারিত (programmed ) করে রেখেছেন।
আল্লাহ আমাদের বোঝার তৌফিক দিন, আমীন।

Advertisements

ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্তির কৌশল

Published June 3, 2012 by binrafiq
ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি অনেককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। যখন আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গেই আনন্দিত থাকতে পারেন, তখন কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের স্ক্রিনের সামনে সময় নষ্ট করছেন? এই আর্টিকেলটি আপনাকে ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে।
১. যখনই আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন : একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করুন, কখনোই আজ ২ ঘণ্টা কাল ৩ ঘণ্টা আর পরশু ১ ঘণ্টা করলে চলবে না। অন্যভাবে বলতে গেলে, এমনটি বলবেন না যে, আজকে আমি কেবল ১ ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটাব। তারপর একটানা ৪-৫ ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে মনে মনে বলবেন, আমি আজকে মোটামুটি ভালো করেছি। প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ১ ঘণ্টা যথেষ্ট, খুব প্রয়োজনে ২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন, এই বিষয়ে সতর্ক না হলে আবারও ইন্টারনেট আসক্তির দাসে পরিণত হতে পারেন।
২. যদি ঘড়ি আপনাকে সময়ের মাঝে বেঁধে রাখতে না পারে : তবে একটি Parental control সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন, কিছু সফটওয়্যার সময় বেঁধে দেয়া (time lock) সমর্থন করে। আপনার বাসার অন্য কাউকে পাসওয়ার্ডটি সেট করতে বলুন যাতে করে শুধু জরুরি ক্ষেত্রেই আপনি এটিকে আনলক করতে পারেন, যখন ইচ্ছা তখন নয়।
৩. অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলুন : কতগুলো এমন ওয়েবসাইট আছে যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট রাখার কোনো দরকারই নেই? ফেসবুক, মাইস্পেস, টুইটার, ইউটিউব কখনও কখনও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হতে পারে এমন বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে যারা আমাদের কাছে নেই। তবে ইউটিউব, মাইস্পেস, গুগল প্লাস ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট কেবল সময়ের অপচয়ই নয় বরং আসক্তিকরও বটে। এই অ্যাকাউন্টগুলোতে অনেক আলাপ হয়ে থাকে অপরিচিত লোকজনের সঙ্গে। তারপরও যদি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে না চান তবে পেজগুলো ব্লক করে দিন।
৪. আপনার পেজগুলোও মুছে ফেলুন : শুধু সেই পেজগুলোই রাখুন যা আপনার কাজের জন্য দরকার (hgbÑhomework, office work েইত্যাদি)। যদি ইউটিউব বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এগুলোর জন্য নিতান্তই প্রয়োজনীয় না হয় তবে মুছে ফেলতে দ্বিধা বোধ করবেন না।
৫. অনলাইন কাজ ছাগা অনেকগুলো অফলাইন কাজ রাখতে ভুলবেন না : আপনি যাতে আনন্দ পান এমন অনেক কাজ করুন। যদি আপনার কোনো শখ না থাকে তাহলে আজই খুঁজতে শুরু করুন। এছাড়া অন্যকে সাহায্য করা বা সমস্যার সমাধান দেয়া একটা অন্যতম উপায়। এটা আপনার মানসিক ও শারীরিক উভয় দিকের খেয়াল রাখে।
৬. অনলাইন বা অফলাইনে থাকা সম্পর্কে সচেতন থাকুন : আপনি কি বুঝতে পারেন না যে কখন আপনি অতিরিক্ত অনলাইনে সময় কাটাচ্ছেন? যদি তাই হয়, আপনার সমস্যা আছে!
৭. আপনি জানেন যে ইন্টারনেট আসক্তি আপনার বাস্তবিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে : আপনাকে আপনার জীবনযাপন করতে হবে পুরোপুরিভাবে, কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে থেকে নয়। বিশ্বাস করতে পারেন যে প্রতিদিন ১,০০০,০০০,০০০ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তথ্যটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আর গবেষক এবং ডাক্তাররা দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রতিদিন মানুষ এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
৮. তাই ইন্টারনেটকে আপনার জীবনে হস্তক্ষেপ করতে দেয়া বন্ধ করুন : এমন নয় যে আপনি পুরোপুরিভাবে একে ত্যাগ করবেন বা আর কোনোদিন ব্যবহার করবেন না, আপনাকে শুধু দেখতে হবে সঠিক সময়টি। জীবনের পূর্ণতাকে অনুভব করুন। বাইরে যান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, আশপাশে ঘুরতে যান এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন। যা আপনার দৈহিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়ে সাহায্য করবে।
৯. আপনি এখন তৈরি! আপনার নিত্যদিনের কাজ করুন সতেজতার সঙ্গে। তবে অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডিভাইস তথা ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকবেন।
সূত্র: আমারদেশ

হযরত ইউসুফ আ. ও কি তাহলে দুনিয়াপূজারী ছিলেন?(নাউজুবিল্লাহ)

Published June 3, 2012 by islamvalley

বর্তমানে অনেক মুসলিম ভাইকে বলতে শোনা যায় জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নাম করে দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের ধান্দায় আছে। (আর এ জন্যেই বিএনপির সাথে ঐক্য করে মন্ত্রণালয়ের ভার নিয়েছে।) তা না হলে ইসলামে রাজনীতি, বিভিন্ন প্রশাসনিক পদ ইত্যাদির কী দরকার? মুসলিমদের ওসব যামেলায় না গিয়ে ব্যক্তিগত ধর্মকর্ম নিয়ে ব্যাস্ত থাকা উচিত।
এর জবাব আমার আমার আবিষ্কার করতে হয়নি। কুরআনই মুমিনের কর্মপন্থা বলে দিচ্ছে। দেখুন সুরা ইউসুফ।
وَقَالَ ٱلْمَلِكُ ٱئْتُونِى بِهِۦٓ أَسْتَخْلِصْهُ لِنَفْسِى ۖ فَلَمَّا كَلَّمَهُۥ قَالَ إِنَّكَ ٱلْيَوْمَ لَدَيْنَا مَكِينٌ أَمِينٌ ﴿٥٤﴾ قَالَ ٱجْعَلْنِى عَلَىٰ خَزَآئِنِ ٱلْأَرْضِ ۖ إِنِّى حَفِيظٌ عَلِيمٌ
“বাদশাহ বললঃ তাকে (হযরত ইউসুফ আ.) আমার কাছে নিয়ে এসো। আমি তাকে নিজের বিশ্বস্ত সহচর করে রাখব। অতঃপর যখন তার সাথে মতবিনিময় করল, তখন বললঃ নিশ্চয়ই আপনি আমার কাছে আজ থেকে বিশ্বস্ত হিসাবে মর্যাদার স্থান লাভ করেছেন।
ইউসুফ আ. বললেন,’ আমাকে দেশের ধন-ভান্ডারে নিযুক্ত করুন। আমি বিশ্বস্ত রক্ষক ও অধিক জ্ঞানবান’।” (সুরা ইউসুফ, ১২:৫৪৫৫)

তিনি আ. তো চাইলেই কারাগার থেকে মুক্তির পর ব্যক্তিগত ঈমান আমল করে যেতে পারতেন। তিনি কেন বাদশার কাছে ধন-ভান্ডারের পরিচালক হতে চাইলেন? 
জবাব হচ্ছে ইসলাম চায় মানব জীবনের যাবতীয় দিক ও বিভাগ হতে অনৈসলামকি পরিচালনা পদ্ধতিকে হটিয়ে সেখানে আল্লাহভীরু লোকদের কতৃত্ব স্থাপন করে আল্লাহর দেয়া নিয়ম-কানুন ও আইনের মাধ্যমে জীবনের সকল বিভাগকে পরিচালনা করা।
মানবজীবনে যত দিক ও বিভাগ আছে সবকিছুরই সমাধানই ইসলামে আছে। এটা বিশ্বাস না করলে ঈমানই থাকবেনা। কারণ মনে করা হবে আল্লাহ ঐ বিভাগ সম্পর্কে অজ্ঞ(নাউজুবিল্লাহ)। 

যতদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, বিচারালয় ইত্যাদি সকল বিভাগের নেতৃত্ব এক এক করে আল্লাহভীরু, ও ইসলামপন্থী লোকদের হাতে ন্যস্ত হবেনা ততদিন খোদায়ী বিধানের বাস্তবায়নও হবেনা, মানবতা মুক্তিও পাবেনা। বঞ্চিতরা কেঁদেই যাবে পথের ধারে।

তাই ধাপে ধাপে নেতৃত্ব সৎ লোকদের হাতে নিয়ে আসার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবার চেষ্টা করা হচ্ছে যেমনটা চেষ্টা করেছিলেন হযরত ইউসুফ আ. সহ সকল নবী গণ আ.।

নবীদেরকে প্রেরণ করাই হয়েছে এজন্যে যে তাঁরা মানবজীবনের সকল দিক ও বিভাগ থেকে বাতিলকে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হটিয়ে সেখানে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করবেন যা সকল নবীই পরিপূর্ণভাবে করে যাবার চেষ্টায় রত ছিলেন। অবশ্য সবাই ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সফল হননি। সেটা তাদের ব্যার্থতা নয়। তাঁরা দাওয়াত দিলেও মানুষ কবুল না করলে কি আর করা।

এখন নবীদের অবর্তমানে সকল মুসলিমের এটা কর্তব্য যে সে জাহেলি সকল মত ও পথ, তন্ত্র, মন্ত্র মতবাদকে দূরে ঠেলে, অস্বীকার করে আল্লাহর মত ও পথকে বিজয়ী করার চেষ্টা করবে। সামগ্রিকভাবে এ চেষ্টা না করার কারণেই আজ মুসলিম উম্মাহর এ দূরাবস্থা। সকল নেতৃত্বে বসে আছে বাতিল ও মানবরচিত মত ও পথের বাহকরা যেটা ছিল আল্লাহর সতর্কবাণী।
وَإِن تَتَوَلَّوْا۟ يَسْتَبْدِلْ قَوْمًا غَيْرَكُمْ ثُمَّ لَا يَكُونُوٓا۟ أَمْثَـٰلَكُم
“যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, এরপর তারা তোমাদের মত হবে না।” (সুরা মুহাম্মাদ, ৪৭, ৩৮ আয়াতাংশ)

অথচ কিছু গোষ্ঠী আজ মুসলিমদের এ কাজ থেকে দূরে থেকে শুধু ব্যক্তিগত ঈমান আমল হাসিলের দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছে যা প্রকারান্তরে বাতিলকে সহজভাবে বাতিল মতবাদ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে যাচ্ছে।

ভাইরাসের উপস্থিতি বোঝার উপায়

Published May 28, 2012 by islamvalley

নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী মাত্রই কম্পিউটার ভাইরাসের ব্যাপারে অভিজ্ঞ হন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা বুঝতে পারেন না কম্পিউটার তার অজান্তে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কি-না। সে ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো একটু লক্ষ্য করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি-না :
— কম্পিউটারের গতি ধীর হয়ে যাবে।
— সফটওয়্যার, গেমস এমনকি অডিও-ভিডিও ফাইল চালু হতেও সময় নেবে বেশি।
— ডিস্কে ব্যাড সেক্টর বারবার দেখাবে।
— ওয়ার্ড, নোটপ্যাড ফাইলের ফন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
—  র‌্যাম , এজিপি কম দেখাতে পারে।
— ডিস্কের ভলিউম লেবেল পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।
— কোনো কিছু সেভ হতে বা লোড হতে বেশি সময় নেবে।
— সিডি, ডিভিডি কপি হতে বেশি সময় নেবে।
— হার্ডডিস্কে জায়গা কমে যেতে পারে।
— অজানা এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল দেখা যাবে।
— স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রাম রান করবে বা বন্ধ হবে।
— ফোল্ডার অপশন মুছে যাবে।
— ওয়ার্ডে বা নোটপ্যাডে কিছু লিখলে তা অনেক ক্ষেত্রেই সেভ করা যাবে না।
— কিবোর্ড ও মাউস ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে।
— যে গেম আগে ঠিকভাবে চলত সেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই চলার সময় বারবার আটকে যাবে।
— পিসি হ্যাং করতে পারে।
— টাস্ক ম্যানেজার কাজ করবে না।
— অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফোল্ডারের আইকন পরিবর্তন করা যায় না।

একইসাথে পিডিএফ পড়ুন এবং সম্পাদনাও করুন

Published May 28, 2012 by islamvalley

কোন কোন সফটওয়্যার দিয়ে পিডিএফ ফাইল পড়া যায় কোনটা দিয়ে বানানো যায়। কিন্তু এদের বেশিরভাগই সম্পাদনার সুবিধা দেয়না। dopdf  নামক সফটওয়্যার দিয়ে্  এমএস ওয়ার্ড ফাইলকে পিডিএফে রুপান্তর করা যায়। নাইট্রো রিডার (NitroReader) দিয়ে একই সঙ্গে পড়াও যায় এবং লেখাও যায়। এবং এটি ইনস্টল করলে তুলনামূলকভাবে কম জায়গা দখল করে এবং কম্পিউটারও কম স্লো হয়। নিজের স্বাক্ষর ব্যবহার করা, পিডিএফ ফাইল থেকে লেখা বা ছবি আলাদা করা, পিডিএফ ফরম তৈরি করা এবং সম্পাদনা করা, পিডিএফ ফাইলের যেকোনো স্থানে এডিট করা, বিভিন্ন স্থানে মন্তব্য করা, মন্তব্যের উত্তর দেওয়া, পাসওয়ার্ড দেওয়া, ৩০০-এর বেশি ফাইল ফরম্যাট থেকে পিডিএফ ফাইল তৈরি করা, পিডিএফ ফাইল থেকে একাধিক ফাইল ফরম্যাটে রূপান্তর করাসহ আরও অনেক কিছু।

http://www.dopdf.com/download.php    থেকে  dopdf  সফটওয়্যার টি বিনামূল্যে নিতে পারেন।
নাইট্রো পিডিএফ রিডার সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারেন  www.nitroreader.com/download  ঠিকানা থেকে।

THE AMAZING QUR’AN BY GARRY MILLER-অনুবাদ-পর্ব-০২

Published May 13, 2012 by islamvalley

১ম পর্ব পড়ুন

বিস্ময়কর কুরআন
গ্যারি মিলার
……………

পর্ব-০২
………………

হযরত মুহাম্মাদ সা. ও কুরআন

কেউ যদি ধরে নেয় কুরআন কোন মানবীয় চিন্তার ফল তাহলে সে যে মানব এটা বানিয়েছে তার চিন্তাধারার উপর খানিকটা  বিশ্লেষণ চালাতে চাইবে। সত্যি বলতে কিছু বিশ্বকোষ এবং অনেকগুলো বইয়ে দাবী করা হয়েছে কুরআন মুহাম্মাদ সা. এর  হ্যালুচিনেশন (অলীক কিছু দেখা বা দৃষ্টিভ্রম-hallucinations) এর ফল। এসব দাবী যদি সত্য হতো – কুরআন যদি মুহাম্মাদ সা. এর  মানসিক বিকারগ্রস্হতার থেকে রচিত হতো তবে কুরআনেই সেটার প্রমাণ দেখা যেত। এমন প্রমাণ আছে কি?আছে কি নেই তা জানতে হলে প্রথমেই জানতে হবে ঐ সময়ে তাঁর (মুহাম্মাদ সা.) এর মনে কেমন চিন্তাধারা চলছিল এরপরে দেখতে হবে কুরআনে সেসব চিন্তার প্রতিফলন আছে কিনা।

সবার জানা, মুহাম্মাদ সা. এর খুব কঠিন জীবন পার করেছেন। একজন ছাড়া তাঁর সকল মেয়েই তাঁর পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর একজন অতিপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্ত্রী ছিলেন যাঁর সাথে তিনি অনেক বছর অতিবাহিত করেছিলেন, সেই স্ত্রী তাঁর আগেই নয় শুধু বরং এক অতি সন্ধিক্ষণে ইনতিকাল করেন। তিনি অবশ্যই একজন পরিপূর্ণ  উপযুক্ত মহিলা ছিলেন কারণ প্রথম ওহী আসলে তিনি ভীত অবস্থায় স্ত্রীর কাছে ছুটে যান।

নিশ্চিতভাবে, বর্তমান যুগেও কারো পক্ষে এমন একজন আরবকে খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য হবে যিনি বলবেন, “আমি এত ভয় পেলাম যে বাড়িতে আমার স্ত্রীর কাছে ছুটে গেলাম।” আরবদের আচরণ এমন নয়।  তবুও মুহাম্মাদ সা. সেটে করতে পেরে যথেষ্ট স্বস্তি পেয়েছিলেন। তাঁর স্ত্রী এমনই প্রভাবশালী ও দৃঢ় ছিলেন।  যদিও মুহাম্মাদ সা. এর মনে যেসব চিন্তাধারা চলত  এগুলো তার উদাহরণ হিসেবে অল্প তবে  আমার যুক্তি প্রমাণের জন্যে যথেষ্ট বলিষ্ঠ।

কুরআনে এ ঘটনাবলির একটিও উল্লেখিত হয়নি- তাঁর সন্তানদের মৃত্যু, তাঁর সুপ্রিয় সঙ্গিনী স্ত্রীর মৃত্যু বা ওহী নাজিলের কারণে তাঁর প্রাথমিক আশঙ্কা  যা তিনি স্ত্রীল সাথে গভীরভাবে ভাগাভাগি করেছিলেন-এগুলোর কোনটিই  নয়। কিন্তু ব্যাপারগুলোতে নিশ্চয়ই  তিনি জীবনভর আঘাত পেয়েছিলেন, জ্বালাতন, দুঃখ ও কষ্ট বোধ করেছিলেন। নিশ্চিতভাবেই, কুরআন যদি তাঁরই মানসিক চিন্তায় সৃষ্টি হতো  তাহলে কুরআনের পাতায় পাতায় অন্যান্য বিষয়ের সাথে সাথে এগুলোও বর্ণিত বা কমপক্ষে ্উল্লেখিত হতো।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কুরআন

 সত্যিকারভাবেই বৈজ্ঞানকি দৃষ্টিকোণ থেকে কুরআন নিয়ে চিন্তা করা যায় কারণ কুরআন বিশেষভাবে এমন কিছু দিচ্ছে  যা অন্য কোন ধর্মগ্রন্থ  দিচ্ছেনা এবং সাধারণভাবে বললে অন্য কোন ধর্ম ও দিচ্ছেনা। বিজ্ঞানীদের দাবীতো এটাই। মহাবিশ্বের চলনকৌশল ও কার্যকারিতা বিষয়ে বর্তমানে অনেক লোক বিভিন্ন ধারণা ও তত্ব প্রদান করছেন। এ লোকরা সর্বত্রই আছেন। বিজ্ঞানী সম্প্রদায় কিন্তু তাদের কথা শুনতে যাননা। কারণ বিগত শতাব্দীজুড়ে বিজ্ঞানীমহল ‘মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা’ (test of falsification)র দাবী জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, “আপনার কোন তত্ব  থাকলে সেটা দিয়ে আমারেদ বিরক্ত করবার দরকার নেই যদিনা আপনি এমন কোন উপায় বা তত্ব প্রদান করেন যেটা দিয়ে আপনার তত্ব  ভুল কি ঠিক তা যাচাই করা যাবে।”  এমন একটা টেস্টের কারণেই গত শতকের শুরুতে বিজ্ঞানী মহল আইনস্টাইনের মত মেনেছিলেন। তিনি একটা নতুন তত্ব নিয়ে এসে বললেন, ” আমার মতে মহাবিশ্ব এভাবে কাজ করে আর এই তিন উপায়ে আমি ভুল কিনা তা প্রমাণ করা যাবে”।

বিজ্ঞানী মহল তাঁর মতবাদকে পরীক্ষাধীন করে রাখলেন। ছয় বছরের মধ্যেই মতবাদটি তিনটি পরীক্ষাই উতরে গেল। এতেই প্রমাণ হয়না তিনি মহান ছিলেন, বরং প্রমাণ হয় তিনি মনোযোগ কাড়ার উপযুক্ত ছিলেন কারণ তিনি বলেছিলেন, “এটা হচ্ছে আমার ধারণা, আপনি আমাকে ভুল প্রমাণ করতে চাইলে এটা বা ওটা করুন।”

…….পর্ব-০২ অসমাপ্ত

ফিশিং- অর্থনৈতিক তথ্যাদি চুরি বিষয়ক হ্যাকিং- জানুন ও সতর্ক হোন

Published May 10, 2012 by islamvalley

ফিশিং কী?

ফিশিং (phishing) হলো একটি সাইবার অপরাধ। এক্ষেত্রে অপরাধী হ্যাকার বাছাইকৃত কোন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের  প্রায় শতভাগ নিঁখুত একটি প্রতিলিপি ওয়েবসাইট তৈরি করে। পরবর্তীতে ঐ প্রতিষ্ঠানের ব্যাবহারকারীদেরকে ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে গোপনীয় তথ্য যেমন ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড, পিন ইত্যাদি নকল ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে  ফাঁস করে নেয়।

ব্যাবহারকারীদেরকে নকল ওয়েবসাইট ভিজিট করাবার জন্যে ফিশাররা (Phishers) বিভিন্ন কৌশলের অঅশ্রয় নেয়। যেমন একটি ইমেইল পাঠানো হলো এমনভাবে মনে হবে এটা ব্যাংক থেকে এসেছে। মেইলে অনেক সময় আসল প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যাবহার করে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় এটার উৎস ঠিক আছে। বলা হয় সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের আইটি কাঠামো( IT infrastructure) পরিবর্তন করেছে। ফলে ব্যাবহারকারীদের তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাদি পুনরায় নিশ্চিত করে প্রদান করা দরকার। ইমেইলে  প্রদত্ত  লিংকে যখন ব্যাবহারকারী ক্লিক করেন তখন রিডাইরেক্ট করে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তথ্য দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করা হয়।

প্রতিকার:

১. ব্যক্তিগত গোপন তথ্য চেয়ে পাওয়া ইমেইল সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এমন মেইল আসার সম্ভাবনা খুবই কম। অথবা নিশ্চিত হতে ফোন করে জেনে নিতে হবে।

২.  ইমেইলে প্রদত্ত কোন ফর্মে ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করা যাবেনা। শুধু নিরাপদ সাইটেই এমন তথ্য দেওয়া যাবে। URL বা ওয়েব ঠিকানা  http:// এর বদলে https:// (অধিক নিরাপদ) দ্বারা শুরু ‍কিনা নিশ্চিত হোন।

৩. সন্দেহজনক কিছু বোঝা গেলে আপনার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে জানান

৪. ইমেইলে প্রদত্ত লিংকে ক্লিক না করে প্রদত্ত লিঙ্কটি ব্রাউজারে টাইপ করে এরপর প্রবেশ করেন। তা না হলে এক ঠিকানা দেখিয়ে ক্লিকের পর রিডাইরেক্ট করে অন্য ঠিকানায় নিয়ে যাবে।

৫. দেখে নিন অ্যান্টি-ভাইরাস ফিশিং-প্রতিরোধী কিনা। অথবা  ফিশিং সতর্ককারী web browser tool bar  ইনস্টল করে নিন।

৬. নিয়মিত (ব্যাংক) অ্যাকাউন্ট চেক করুন। ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি। নিশ্চিত হয়ে নিন তালিকাভূক্ত লেনদেনের হিসাব বৈধ কিনা।

৭. সর্বশেষ ভার্সনের ওয়েব ব্রাউজার ব্যাবহার করুন