কমিউনিজমের অসারতা-পর্ব-১

Published May 10, 2012 by islamvalley

[বি:দ্র: পোস্টের শিরোনাম কমিউনিজমের   অসারতা   দিলেও এটি মূলত নাস্তিকতা, ধর্মহীনতা ও বস্তুবাদ সব মতবাদেরই ব্যাপারে আলোচনা করবে।]

বিশ্ব মানবতার শান্তির একমাত্র পথ হচ্ছে এক আল্লাহকে  পালনকর্তা, আইনদাতা হিসেবে মেনে নিয়ে তারঁ প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মাদ সা. এর প্রদর্শিত জীবন বিধান বাস্তবায়ন। পাশ্চ্যাত্যের নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবিগণও শান্তিপ্রতিষ্ঠায় তাঁর দেখানো মত ও পথের গ্রহণযোগ্যতা সহজেই স্বীকার করেন।  সাধারণ মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে বলার মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্ত লোক ধর্মের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে। আর যেহেতু শুধু ইসলামেই মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগের পরিপূর্ণ কাঠামো বিদ্যমান তাই তাদের মূল শত্রু ইসলাম। তারা মানবরচিত পন্থার মাধ্যমে সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু মানুষ স্বভাবগতভাবেই স্বার্থপর। পরকাল ও আল্লাহভীতির ধারণা ছাড়া সে কখনো অপরের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবেনা। অথচ কমিউনিষ্টদের আক্রমণ   ইসলামের এ মহান নৈতিকতা ও পরকালের ধারণর বিরুদ্ধে।

তারা নিজেরাই অজ্ঞতায় ডুবে আছে। তাদের চিন্তাশক্তি ঠিকভাবে কাজ করছেনা। এছাড়াও অহঙ্কারে তারা মত্ত হয়ে পড়ে। অবশ্য তাদের এ বিভ্রান্তির কারণ হিসেবে ধর্মের নামে খ্রিষ্ট  ও ইহুদী ধর্মের বিকৃতি এবং মুসলিম হয়েও কিছু শ্রেণির মুসলিমরা যে ইসলামের সঠিক রুপ তুলে না ধরে আচার আচরণ ও লেবাসের মাধ্যমে ধর্মকে সংকুচিত করতে করতে নিছক ব্যক্তিগত পর্যায়ে ধর্মকে নিয়ে যাচ্ছেন তারাও কিছুটা দায়ী। কিছু নাস্তি ক কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই ইসলমেকেও ঐসব ধর্মের মত মনে করে বসে থাকে অথবা  পোশাকী ধর্মীয় লোকদেরকে দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে এই ভেবে যে ধর্ম তো কিছু বিশ্বাস আর ব্যক্তিগত কিছু ধর্মীয় কাজের সমষ্টি। বাস্তব জীবনের সমাধান সে কীভাবে দেবে।

কিন্তু ধর্ম শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সব সমাধানই দেয়।

বইপুস্তকে কমিউনিজম সম্পর্কে যা পড়েছি তাতেই শান্তি বিনির্মাণে  এর ব্যার্থতা  ও অকার্যকারিতা আমার কাছে স্পষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল। তবে সেদিন লোকাল বাসে এক কমিউনিজ মতাবাদে বিশ্বাসীর সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা হলো। এখানে প্রথমত তার যুক্তিগুলোর অসারতা দেখাচ্ছি।

তার অভিযোগ: ধর্মে ভয়  সৃষ্টি করা হয়েছে। শুধুশুধু পরকাল দোযখ এসবের ভয় দেখিয়ে মানুষের মানসিক শান্তি কেড়ে নিয়েছে। মূলত অভিজাত শ্রেণী নিজেদের ফায়দা হাসিলেরর জন্যেই এ ভয় তৈরি করেছে।

অসারতা: ভয় নয় বরং ধর্মে সতর্কবার্তা  দেওয়া হয়েছে যাতে পরকালে  জবাবদিহীতার মানসিকতা  মানুষের মনে তৈরি হয় এবং এভাবে সে  অপরাধকর্ম

থেকে নিবৃত্ত হয়। ভয় সেই পাবে যে অপরাধপ্রবণ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

…(অসমাপ্ত পোস্ট)

Advertisements

Share your comment

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: